জনপ্রিয়
ডেস্ক. তারেক রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সরাসরি ‘রাজাকার’
বলেননি বলে দাবি করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি বলেছেন, ‘তারেক রহমান সরাসরি এমন বক্তব্য দেয়নি। সে
তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বলেছে।’ বুধবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়া
তার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা
বক্তব্য দেন তিনি। ৩০ মিনিট লিখিত বক্তব্য দেন পরের ১৫ মিনিট সাংবাদিকদের বিভিন্ন
প্রশ্নের জবাব দেন। বঙ্গবন্ধুকে রাজাকার বলাসহ বেশ কিছু প্রসঙ্গে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাংবাদিকদের
প্রশ্নোত্তর পর্বটি ছিল নিম্নরূপ:
বিএনপি দাবি করছে, আওয়ামী লীগ বলেছিল গত ৫ জানুয়ারি সাংবিধানিক নিয়ম রক্ষার নির্বাচন হবে।
পরে আলোচনার ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন দেয়া হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে গত ৫ জানুয়ারি
নির্বাচনের আগে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর উপস্থিতে যে
বৈঠকে হয়েছে তাতে এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অঙ্গীকার আওয়ামী লীগ দিয়েছিল কি না?
বিএনপি চেয়ারপারসন: তারা প্রকাশ্যেই এ কথা বলেছে, এটাই অঙ্গীকার। এ নিয়ে কোনো লিখিত অঙ্গীকার হয়নি।
বিএনপি চেয়ারপারসন: তারা প্রকাশ্যেই এ কথা বলেছে, এটাই অঙ্গীকার। এ নিয়ে কোনো লিখিত অঙ্গীকার হয়নি।
বিএনপির সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান তারেক
রহমান বলেছেন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান রাজাকার ছিলেন। আপনি তার এ বক্তব্যের সঙ্গে
একমত কি না।
বিএনপি চেয়ারপারসন: তারেক রহমান ভাইস চেয়ারম্যান নয়, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। সে সরাসরি এমন কোনো কথা বলেনি। সে যা বলেছে, তথ্য উপাত্ত দিয়ে বলেছে। তারেক রহমান বিদেশে চিকিৎসাধীন।
বিএনপি চেয়ারপারসন: তারেক রহমান ভাইস চেয়ারম্যান নয়, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। সে সরাসরি এমন কোনো কথা বলেনি। সে যা বলেছে, তথ্য উপাত্ত দিয়ে বলেছে। তারেক রহমান বিদেশে চিকিৎসাধীন।
মাননীয় চেয়ারপারসন আপনি বলেছেন বর্তমান
সরকার ধূর্ত এবং অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। বিএনপির এতো জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও
আপনারা তাদের অপকৌশল মোকাবিলা করতে ব্যর্থ কি না?
বিএনপি চেয়ারপারসন: রাজনীতি হচ্ছে কৌশল, অপকৌশল নয়। বিএনপি সন্ত্রাসের রাজনীতি করে না।
বিএনপি চেয়ারপারসন: রাজনীতি হচ্ছে কৌশল, অপকৌশল নয়। বিএনপি সন্ত্রাসের রাজনীতি করে না।
মাননীয় চেয়ারপারসন আপনার দলের শীর্ষ
নেতাদের রাজপথে দেখা যায় না, আপনিও কেবল নিজের
বাসভবন এবং রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান করে সেখান থেকে হুমকি-ধামকি দিয়েছে।
আপনাকেও রাজপথে দেখা যায়নি।
বিএনপি চেয়ারপারসন: জনগণের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো। সময় হলে রাজপথে থাকবো। নেতারা রাজপথে থাকে না এটা এজেন্টদের খবর। অনেক সময় আপনারা তা প্রকাশে বাধ্য হন।
বিএনপি চেয়ারপারসন: জনগণের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো। সময় হলে রাজপথে থাকবো। নেতারা রাজপথে থাকে না এটা এজেন্টদের খবর। অনেক সময় আপনারা তা প্রকাশে বাধ্য হন।
মাননীয় চেয়ারপারসন আপনার ৭ দফা প্রস্তাব
না মানলে কী করবেন?
বিএনিপ চেয়ারপারসন: আমরা সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছি। এ সরকার অবৈধ হলেও এদের সাথেই আলোচনা করতে হবে। এখন এই সরকারকেই ঠিক করতে হবে। আলোচনার জন্য রাজি হবে না আন্দোলনের জন্য এগিয়ে যাবে। সেটা সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বিএনিপ চেয়ারপারসন: আমরা সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছি। এ সরকার অবৈধ হলেও এদের সাথেই আলোচনা করতে হবে। এখন এই সরকারকেই ঠিক করতে হবে। আলোচনার জন্য রাজি হবে না আন্দোলনের জন্য এগিয়ে যাবে। সেটা সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
মাননীয় চেয়ারপারসন জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে
আন্দোলন করছেন, এ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে?
বিএনপি চেয়ারপারসন : আওয়ামী লীগ যখন তাদের সঙ্গে আন্দোলন করেছে তখন তো এ কথাটি আপনারা বলেননি।
বিএনপি চেয়ারপারসন : আওয়ামী লীগ যখন তাদের সঙ্গে আন্দোলন করেছে তখন তো এ কথাটি আপনারা বলেননি।
মাননীয় চেয়ারপারসন তাহলে আপনারা কি
আন্দোলনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন নাকি আলোচনা?
বিএনপি চেয়ারপারসন: এখন আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি, সরকারকেই তা ঠিক করতে হবে তারা কি এ প্রস্তাব মেনে আলোচনা করবে কি-না, সরকার মেনে নিলে আলোচনা হতে পারে, এটা সরকারের বিষয়। সরকার অবৈধ হলেও তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন: এখন আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি, সরকারকেই তা ঠিক করতে হবে তারা কি এ প্রস্তাব মেনে আলোচনা করবে কি-না, সরকার মেনে নিলে আলোচনা হতে পারে, এটা সরকারের বিষয়। সরকার অবৈধ হলেও তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
মাননীয় চেয়ারপারসন আপনি রাজনৈতিক এবং
রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করেছেন, জামায়াতের
শীর্ষ নেতারা মানবতা বিরোধী অপরাধে কারাগারে রয়েছেন…
বিএনপি চেয়ারপারসন: আমরা রাজবন্দি এবং রাজনৈতিক নেতাদের কথা বলেছি। যারা সাজাপ্রাপ্ত রয়েছে আমরা তো বলেছি আমার সুষ্ঠু বিচার চাই।
বিএনপি চেয়ারপারসন: আমরা রাজবন্দি এবং রাজনৈতিক নেতাদের কথা বলেছি। যারা সাজাপ্রাপ্ত রয়েছে আমরা তো বলেছি আমার সুষ্ঠু বিচার চাই।
সাধারণত সংবাদ
সম্মেলন হলে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে না। তবে চলতি বছরের ২৫
ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে যে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন সেখানে তিনি
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। তার ধারাবাহিকতা এবারো রক্ষা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ২০
দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন