মঞ্চস্থ হলো “মন যখন যেমন” ও “রঙ্গের মানুষ”
সুফিয়ান
আহমদ,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ডের “মন যখন
যেমন” নাটক মঞ্চায়নের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামলো ‘নাটকে নাটকে উঠুক জ্বলে একাত্তর’ স্লোগান
নিয়ে বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ড (বিসাক) আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের।
সমাপনী দিন উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয় স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে
মনোজ্ঞ “ গানের আসর”। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার থিয়েটার বাংলা মঞ্চস্থ করে “ রঙ্গের
মানুষ” সব শেষ বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ড বিসাক মঞ্চস্থ করে তাদের নতুন নাটক “ মন যখন
যেমন”। আর তাদেরই নাটক মঞ্চায়নের মাধ্যমে শেষ হয় ৩দিনের এই নাট্যেৎসবের। বিপুল
পরিমান দর্শক আর উপজেলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে নিয়মিত নাট্যচর্চার দুই দশক পূর্তি উপলক্ষ্যে
বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ড (বিসাক)’র উদ্যোগে গত রোববার বিকেল ৩ টায়
বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এই উৎসব শুরু হয়। বিসাকের আয়োজনে ৩দিন ব্যাপী
এই নাট্যেৎসব উদ্বোধন করেন জাতীয়
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। আর উদ্বোধনের পর থেকেই প্রায়
প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ দর্শক উপস্থিত থেকে উপভোগ করেছেন মনোজ্ঞ এই নাট্যেৎসব। বিসাক নাট্যেৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক এনামুল হক
এনামের সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নাট্যেৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, কবি ফজলুল হক, উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া, যুক্তরাজ্যস্থ বিয়ানীবাজার
ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেদ আহমদ, সাবেক
সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ,
বিয়ানীবাজার সাংস্কৃতিক কমান্ডের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ, সমাজকর্মী
গৌছ উদ্দিন খান খোকা প্রমুখ। সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সংস্কৃতি
চিরকাল ধরে অসুন্দর ও ববর্রতার বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে। যে কোন জাতির মুক্তি ও
প্রগতির পতাকাবাহী জনমণ্ডলী হচ্ছেন সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কর্মীরা। দেশের বর্তমান
নৈরাজ্য ও অন্ধকার দূর করার জন্য অতীতের মতো এবারও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কোন
বিকল্প হয় না। তাই নতুন ধারার অপশক্তি ও নৈরাজ্য দূর করতে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে
তুলতে হবে। তিন দিনব্যাপী এ উৎসবে ৫টি
নাট্যদল ৭টি নাটক মঞ্চস্থ করে। অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে ঢাকার ইউনিভার্সেল থিয়েটার, সিলেটের
নৃত্যশৈলী, নাট্যমঞ্চ, থিয়েটার বাংলা ও স্বাগতিক বিসাক। এ ছাড়াও উৎসব মঞ্চে প্রতিদিন মুখর ছিল সঙ্গীত, কবিতা ও
ছড়াপাঠের আসর। বিসাক আয়োজিত ৩দিন ব্যাপী এই নাট্যেৎসবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত
ছিলেন,বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল মনসুর আসজাদ, সমাজসেবা
কর্মকর্তা বশিরুল ইসলাম,বিয়ানীবাজার পঞ্চখন্ড গোলাবিয়া পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ
সাহেদ, নাট্যেৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য ও বিসাক’র সাবেক আহবায়ক সাংবাদিক আজিজুল
পারভেজ, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস ও উদযাপন কমিটির সদস্য দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, সদস্য
এবাদ আহমদ, সাংবাদিক আহমেদ ফয়সাল,
সাংবাদিক শাবুল আহমেদ, সাংবাদিক মাচুম আহমদ,সাংবাদিক
এম সিন উদ্দিন, আক্তার উদ্দিন অনিক,
শাহজানুল ইসলাম লায়েক, আফজাল হোসেন সাজু, ওয়াহিদুর
রহমান টিপু, বিসাক’র সহ সভাপতি আতিকুর রহমান রুকন, সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন জাবেদ, উদযাপন
কমিটির সদস্য সচিব সালেহ আহমদ শাহিন, আকবর হোসেন লাভলু, সাংবাদিক
সুফিয়ান আহমদ, রিক্তা চক্রবর্তী,
রিপন আহমদ, ছিদ্দিকুর রহমান, তন্ময় পাল চৌধুরী, হাবিবুর
রহমান হাবিব, অসিত দে, রুবী রাণী দে,
জয়নাল আহমদ,মাসুদ আহমদ জনি, মাহফুজুর
রহমান, রাফি আহমদ,রিপন চক্রবর্তী,
মাসুম আহমদ সানি প্রমুখ।
.jpg)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন