রনি মোহাম্মদ ,লিসবন : যুগে যুগে পৃথিবীতে যখন ইসলামের শত্রু এক শ্রেণীর শাসক গোষ্ঠির হাতে
শোষন হচ্ছে মুসলমানরা তখনও ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় থেমে থাকেনি মুসলমানরা। অগ্রসর
অর্থনীতির দেশ হয়েও মাঝ পথে ঋণ সংকটে পড়তে হয়ে ছিল ইউরোজোনের এই দেশ পর্তুগাল। যদিও
প্রাচীণ কাল থেকে এই পর্তুগালের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং তাতে নানা বাঁক ও রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ
খ্রিস্টান প্রধান দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা নেহায়াত কম নয়। পর্তুগালের রাজধানী লিসবন
শহর ও এর আশেপাশে প্রায় ১ লাক্ষ মুসলমানের বাস। শত বাধা বিপপ্তির মাঝেও মুসলমানরা যে
যেভাবে হোক ইসলামকে সমুন্নত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রবাসে বাংলাদেশী মুসলমানরাও
পিছিয়ে নেই। তেমনি ইউরোপের দেশ পর্তুগালের রাজধানী লিসবন শহরের আমাধরা একটি বাংলাদেশী
জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত করে ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার প্রতিফলন ঘটালেন ইউরোপের
পর্তুগাল কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশী মুসলিম তরুণ।
পর্তুগালের আমাধরা শহরে তিনজন প্রবাসী
বাংলাদেশী মুসলিম তরুণের এর দীর্ঘ এক বছর আপ্রাণ প্রচেষ্টার ফলে গত ২০শে জুন আরেকটি
বাংলাদেশী জামে মসজিদের (ASSOCIACAO NK – MESQUITA DA REBOLEIRA) যাএা শুরু হল। আজ জুম্মার নামায
ও পবিত্র মসজিদ পরিদর্শনে আসেন, পর্তুগালে অবস্থিত বাংলাদেশ দুতাবাসের মাননীয় রাষ্টদুত
জনাব ইমতিয়াজ আহমেদ এবং দুতাবাসের প্রথম সচিব জনাব খালেদ হোসেন সহ নতুন বাংলা মসজিদ
এর সভাপতি জনাব মুহাম্মদ নুরুল্লাহ, সহ-সভাপতি জনাব শওকত ওসমান, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ
কামাল হোসাইন, বাংলাদেশী কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ত লিসবনে অবস্তিত বায়তুল মোকাররম মসজিদের
সভাপতি রানা তসলিম, কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ত রাজনীতিবিদ জনাব জহিরুল আলম জসিম,বিশিষ্ঠ
ব্যাবসায়ী কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ত কাজী এমদাদ,এম এ খালেক, ইউসুফ তালুকদার, সফিকুর রহমান,সেলিম
উদ্দিন, লিসবন বাইতুল মোকাররম মসজিদের খতিব জনাব আবু সায়িদ, আফ্রিকান মুসলিম কমিউনিটির
ইমাম শেখ মূসা দি জালো সহ কমিনিটি ব্যাক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও আঞ্চলিক
সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী ও আফ্রিকান মুসলিম কমিউনিটি
ব্যাক্তিবর্গ।
সম্মানিত অতিতিবৃন্দকে স্বাগত জানান মসজিদ কমিটির সম্মানিত সভাপতি মুহাম্মাদ
নুরুল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ কামাল হোসাইন। নামাজ শেষে সকল মুসলিম জাতির
সুখ -সমৃদী কামনা করে মোনাজাত করা হয়। জুমার শেষে রাষ্টদূত সকল জাতির সাথে কূশল বিনিময়
করেন এবং মসজিদ এর উন্নয়ন কাজে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। বর্তমানে পবিত্র রমজান
মাসে প্রতিদিন আফ্রিকান সহ বিভিন্ন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য মসজিদ কমিটির পক্ষ
থেকে ইফতার এর আয়োজন করা হচ্ছে এবং নিয়মিত তারাবিহ-তাহাজ্জুত এর নামাজ পড়া হয়. অন্যদিকে
ঈদ এবং লায়লাতুল কদর পালনে ও মসজিদে পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যপক প্রস্তুতি।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন