সুফিয়ান বিন হোসাইন,বিয়ানীবাজার
প্রতিনিধিঃ উজানের ঢলে গত কয়েকদিন থেকে দেশের প্রতিটি নদ-নদীতে পানি বাড়তে থাকায়
সারা দেশে মারাত্মক বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে দেশের নিম্নাঞ্চলসহ বেশ
কয়েকটি জেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সেই সাথে নদ-নদীতে বৃদ্ধি পাচ্ছে পানি। যার ফলে সর্বত্র দ্বেগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। কেননা পানি বাঁড়ার
সাথে সাথে যেমন মারাত্মক বন্যার আশংকা থাকে তেমনি আশংকা থাকে মানুষের স্বাভাবিক
জীবন যাপন নিয়ে। দেশের প্রতিটি নদ-নদীর মতো কুশিয়ারা নদীর পানিও মারাত্মক হারে
বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর
পানি বিয়ানীবাজারের শেওলা পয়েন্টে বিপথ সীমার ২২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত
হচ্ছে। যার কারণে বুধবার রাতে নদী তীরবর্তী কয়েকটি ডাইক ভেঙ্গে প্লাবিত হয়ে গেছে
উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্টান।
তাছাড়া নদী সংলগ্ন স্থানীয় কয়েকটি বাজারও ডুবে গেছে এ পানিতে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা
যায়, গত কয়েকদিন থেকে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়
তারা অনেকটা উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন
পার করছিলেন। এরই মধ্যে বুধবার গভীর রাতে নদী তীরবর্তি ডাইক ভেঙ্গে যাওয়ায় প্লাবিত
হতে তাকে বিস্তৃর্ণ এলাকা । ধীরে ধীরে ভেঙ্গে যায় আরো বেশ কয়েকটি ডাইক (বাঁধ)।
যার
কারণে প্লাবিত হয়ে পড়ে উপজেলার চারখাই ,দুবাগ,শেওলা ও মুড়িয়া ইউনিয়নের বেশ
কয়েকটি গ্রাম। এছাড়াও পানিতে তলিয়ে যায় দুবাগ ইউনিয়নের দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজ,
দুবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্থানীয় দুবাগ বাজার, শেওলা ইউনিয়নের কাকরদিয়া তেরাদল উচ্চ বিদ্যালয়, তেরাদল-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মুড়িয়া
ইউনিয়নের শতাধিক বাড়ি ঘরসহ বিয়ানীবাজার-সিলেট অভ্যন্তরীন সড়ক, শেওলা শুল্ক স্টেশনের রাস্তাসহ প্রধান ও গ্রামীণ সড়ক। এদিকে আকস্মিক
বন্যার পানিতে বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেকটা বেকায়দায় পড়ে গেছে পানিতে তলিয়ে যাওয়া
বসত ঘরের বাসিন্দারা। তারা নিজেদের ঘর
বাড়ি ও পরিবার রক্ষা যার যার মতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। নদীর পানি প্রতিরোধ করতে
বাঁশ, টিন, বালু ভর্তি বস্তা
দিয়ে নিজেদের রক্ষার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন পানিবন্দী মানুষেরা। তারা আশা করছেন,
তাদেরসহ বন্যা দূর্গত মানুষদের রক্ষায় সরকার শীর্ঘ্রই সহযোগীতার
হাঁত বাড়িয়ে দেবে। এব্যাপারে বিয়ানীবাজার
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, বন্যার
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আমরা
শীর্ঘ্রই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি বলেন, স্থানীয়
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র খোলার দরকার হলে সঙ্গে
সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে।Post Top Ad
Responsive Ads Here
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৫
কুশিয়ারা নদীর ডাইক ভেঙ্গে বিয়ানীবাজারের বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত
Tags
# বৃহত্তর সিলেটের সংবাদ
About JONOPRIO24
বৃহত্তর সিলেটের সংবাদ
Labels:
বৃহত্তর সিলেটের সংবাদ
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
Post Top Ad
Responsive Ads Here
Author Details
জনপ্রিয়২৪ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বিশ্বজুড়ে রেমিডেন্স যোদ্ধাদের প্রবাস জীবন নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালে। স্পেনে বাংলাভাষী প্রবাসীদের প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল।




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন