ঢাকা: ২৪ অক্টোবর ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের ২২টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পঞ্চম চলচ্চিত্র ‘পিঁপড়াবিদ্যা’। কেন এই চলচ্চিত্র দেখতে দর্শক সিনেমা হলে যাবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘কারণ এটা আমার নতুন ধরণের একটা সিনেমা। যা আমার অন্য কাজগুলো থেকে আলাদা। আর এ চলচ্চিত্রের গল্পে দর্শক নিজেকে খুঁজে পাবেন। তার আশপাশের জীবনটাকে দেখতে পাবে। নতুন স্বাদ পাবে।’
বাংলামেইল: চলচ্চিত্রের জন্য লোকেশন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ছবির স্টীল ছবি দেখে যেটুকু আন্দাজ করি যে ঢাকা শহরটাকে আপনি একটু নতুন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন…মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: এটা ঠিক যে আমি ঢাকা শহরটাকে একটু নতুন করেই দেখাতে চেয়েছি। এ ছবিতে ঢাকা শহরও একটি চরিত্র। ঢাকা যেমন এখানে এসেছে তেমনি কেরানিগঞ্জও এসেছে।
[২০১৩ সালের শুরুর দিকে শ্যুটিং শুরু হয়েছিল এই ছবিটির। ঢাকার বনানী, নিকুঞ্জ, কুড়িল, নাখালপাড়া, পুরান ঢাকা, কেরানিগঞ্জ ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৪০ দিন ধরে এই চলচ্চিত্রের শ্যুটিং হয়।]বাংলামেইল: আপনার প্রতিটি চলচ্চিত্রে গল্পের ভেতরে আরেকটা গল্প থাকে। এ চলচ্চিত্রে তেমন কিছু থাকছে কী?
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: এ চলচ্চিত্রে আরো কঠিনভাবে আছে। ছবির ভাজে ভাজে গল্প লুকিয়ে আছে।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: এ চলচ্চিত্রে আরো কঠিনভাবে আছে। ছবির ভাজে ভাজে গল্প লুকিয়ে আছে।
[ছবির গল্প সংক্ষেপ: মিঠু একজন তরুণ গ্রাজ্যুয়েট। সে প্রতিদিন তার বাড়ি ফেরবার পথে চকমকে ঢাকা শহরের দিকে তাকিয়ে থাকে। সে জানে সে এই জগতের সদস্য নয়। তার অনেক স্বপ্ন থাকে। ভালো একটা চাকরি, শহরের সুন্দরী একটি মেয়ের সঙ্গ, দামি গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়ানো। কিন্তু স্বপ্নের নাগাল পাওয়া আরেকটি দুঃস্বপ্নের ব্যাপার। সব সুখ-স্বপ্নই তখন তার কাছে রসগোল্লা, আর সে কেবল একটা নিরীহ পিঁপড়া।]বাংলামেইল: এ ছবিতে কে সবচে ভালো অভিনয় করেছেন। বা আপনাকে মুগ্ধ করেছে?
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: সবাই ভালো করেছেন। কিন্তু মুগ্ধতার কথা বলতে হলে মিঠুর নামই বলতে হয়। সে বেস্ট।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: সবাই ভালো করেছেন। কিন্তু মুগ্ধতার কথা বলতে হলে মিঠুর নামই বলতে হয়। সে বেস্ট।
[ছবির অভিনয়শিল্পীরা হলেন নূর ইমরান মিঠু, মুকিত জাকারিয়া, মোহিনী মৌ, সাব্বির হাসান, জি সমদানি ডন]
বাংলামেইল: আপনার শেষ ছবি ‘টেলিভিশন’ এ নির্মাণগত জায়গায় কিছু নতুন কৌশলের কাজ দেখা গেছে। এ ছবিতে তেমন কিছু থাকছে কী?
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: আমি এক পথে দুবার হাটি না। যে কারণে আমার পাঁচটি ছবিই পাঁচ রকম। এ ছবিতেই নতুন নির্মাণ শৈলী থাকছে।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: আমি এক পথে দুবার হাটি না। যে কারণে আমার পাঁচটি ছবিই পাঁচ রকম। এ ছবিতেই নতুন নির্মাণ শৈলী থাকছে।
[ছবির চিত্রগ্রাহক: গোলাম মওলা নবীর ও মেকআপ আর্টিস্ট :মানিক]
বাংলামেইল: আপনার থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিতে ডলের ব্যবহার দেখা যায়। এ ছবিতেও ডল আছে?
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: আমার মাঝে মাঝে মনে হয় ডলেরও জীবন আছে। পুতুলই মানুষ, মানুষই পুতুল মনে হয় আমার কাছে। এ ছবিতে ডলও একটি চরিত্র। সে যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে ছবিতে। এ ছবিতে ডলের ব্যবহার আগের ছবির চেয়ে বেশিই আছে।

আন্তর্জাতিক উৎসব
এই চলচ্চিত্রটি এশিয়ান প্রজেক্ট মার্কেট(এপিএম)-এর ২০১৩ সালের ৩০টি চলচ্চিত্রের মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল। ছবিটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয় দশম দুবাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে। এছাড়া সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল চলচ্চিত্র উৎসব, ডালাস এশিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগ এবং মেলবোর্ন আই.এফ.এফ দেখানো হয় ছবিটি। বুসান চ্চলচিত্র উৎসবের ‘উইন্ডোস অন এশিয়ান সিনেমা’ বিভাগেও নির্বাচিত হয়েছিল ছবিটি। এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে প্রতিয়োগিতার জন্যও নির্বাচিত হয়েছিল ছবিটি।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: আমার মাঝে মাঝে মনে হয় ডলেরও জীবন আছে। পুতুলই মানুষ, মানুষই পুতুল মনে হয় আমার কাছে। এ ছবিতে ডলও একটি চরিত্র। সে যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে ছবিতে। এ ছবিতে ডলের ব্যবহার আগের ছবির চেয়ে বেশিই আছে।
আন্তর্জাতিক উৎসব
এই চলচ্চিত্রটি এশিয়ান প্রজেক্ট মার্কেট(এপিএম)-এর ২০১৩ সালের ৩০টি চলচ্চিত্রের মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল। ছবিটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয় দশম দুবাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে। এছাড়া সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল চলচ্চিত্র উৎসব, ডালাস এশিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগ এবং মেলবোর্ন আই.এফ.এফ দেখানো হয় ছবিটি। বুসান চ্চলচিত্র উৎসবের ‘উইন্ডোস অন এশিয়ান সিনেমা’ বিভাগেও নির্বাচিত হয়েছিল ছবিটি। এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে প্রতিয়োগিতার জন্যও নির্বাচিত হয়েছিল ছবিটি।
জাজ মাল্টিমিডিয়ার পরিবেশনায় ছবিটি যে সব হলে দেখা যাবে…
বলাকা (ঢাকা)
স্টার সিনেপ্লেক্স (ঢাকা)
যমুনা ব্লকবাস্টার (ঢাকা)
মধুমিতা (ঢাকা)
আনন্দ (ঢাকা)
শ্যামলী (ঢাকা)
আনারকলি (টঙ্গী)
বর্ষা (জয়দেভপুর)
ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ)
শংখ (খুলনা)
চন্দ্রিমা (শ্রীপুর)
পূর্বাশা (শান্তাহার)
কেয়া (টাঙ্গাইল)
কল্লোল (মধুপুর)
মডার্ন (দিনাজপুর)
মমতাজ (সিরাজগঞ্জ)
অভিরুচি (বরিশাল)
রাণীমহল (ডেমরা)
সত্যবতী (শেরপুর)
রুপকথা (পাবনা)
বলাকা (ঢাকা)
স্টার সিনেপ্লেক্স (ঢাকা)
যমুনা ব্লকবাস্টার (ঢাকা)
মধুমিতা (ঢাকা)
আনন্দ (ঢাকা)
শ্যামলী (ঢাকা)
আনারকলি (টঙ্গী)
বর্ষা (জয়দেভপুর)
ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ)
শংখ (খুলনা)
চন্দ্রিমা (শ্রীপুর)
পূর্বাশা (শান্তাহার)
কেয়া (টাঙ্গাইল)
কল্লোল (মধুপুর)
মডার্ন (দিনাজপুর)
মমতাজ (সিরাজগঞ্জ)
অভিরুচি (বরিশাল)
রাণীমহল (ডেমরা)
সত্যবতী (শেরপুর)
রুপকথা (পাবনা)
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং ‘পিঁপড়াবিদ্যা’ ছবির সকল শিল্পীরা সহ ২৪ অক্টোবর থেকে সবগুলো হলে তারা ঘুরে বেড়াবেন। ছবি দেখবেন দর্শকের সঙ্গে বসে। আর এই চলচ্চিত্র ভ্রমণে এ নির্মাতার সঙ্গী হবেন তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুশরাত ইমরোজ তিশা।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন