
জনপ্রিয় ডেস্ক: বর্তমান
সরকারকে অবৈধ আখ্যায়িত করে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক খালেদা জিয়া বলেছেন, তাদের
দেশ পরিচালনার কোনো অধিকার নেই। অবৈধ সরকারের অধীনে কোনো উন্নয়ন হয় না। তাই জনগণের
ভোটের অধিকার ফিরে পেতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। বৃহস্পতিবার বিকালে নীলফামারী জেলা স্কুল ময়দানে
স্থানীয় ২০ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, ভোটের
অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন করতে হবে। সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুলে বাঁকা করতে
হয়। তাই দাবি না মানলে আন্দোলনের মাধ্যমেই এই অবৈধ সরকারকে বিদায় করে জনগণের সরকার
প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সরকার মিথ্যার ওপর ভর করে টিকে আছে
যারা সংসদে আছেন তারা জনপ্রতিনিধি নয় এমন মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, এ সরকার মিথ্যার ওপর ভর করে টিকে আছে। ৫ জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয়নি। ভোট কেন্দ্রে কোন মানুষ যায়নি। সংসদে যারা আছেন তাদের জনগণ ভোট দেয়নি। ১৫৬টি আসনে কোন ভোট হয়নি।
আ’লীগের অধীনে কোন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়না মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ২০০৮ সালের পর যতগুলো উপনির্বাচন হয়েছে কোনটিই সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামী লীগ উপজেলা নির্বাচনেও ভোট ডাকাতি করেছে। তারা কোনো ভোট হতে দেয়নি। একতরফাভাবে তাদের প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেছে। এজন্য দরকার নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার।
নির্বাচন কমিশনের বাতিল দাবি
বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ অথর্ব আখ্যা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এ কমিশনের অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এ কমিশনকে অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এরা দায়িত্বে থাকলে মানুষের ভোটের অধিকার থাকবে না।
বিদেশীরা বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি
বিদেশী রাষ্ট্রের প্রধানদের সঙ্গে শুধু ছবি তুললেই স্বীকৃতি পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, গণতন্ত্র না থাকলে কেউ স্বীকৃতি দেবে না। বাংলাদেশে গণতন্ত্র না থাকায় এই অবৈধ সরকারকে বিদেশীরাও স্বীকৃতি দেয়নি।
র্যাব বাতিল করতে হবে
সামপ্রতিক সময়ে র্যাবের গুম, খুন ও অপহরণের সমোলোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আমরা র্যাব গঠন করেছিলাম আওয়ামী লীগের আমলের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের জন্য। রাজনীতিবিদদের ধরার জন্য নয়। কিন্তু এখন র্যাব মানুষ খুন-গুম করছে। পথে-ঘাটে, খাল-বিল ও নদী-নালায় লাশ পাওয়া যাচ্ছে। সেজন্যই আমরা বলেছি, এই র্যাব বাতিল করতে হবে। র্যাব দিয়ে মানুষ খুন-গুম চলবে না। পুলিশের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। আপনাদের দায়িত্ব মানুষের সেবা করা। কিন্তু এই অবৈধ সরকারের সঙ্গে মিলে মানুষ গুম-খুন করবেন না। এগুলো বন্ধ করেন। কারণ আপনাদেরও মা-বোন আছে। অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নতুন নতুন আইন করছে সরকার
সরকার নিজিেদের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নতুন নতুন আইন করছে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, আপনারা নতুন নতুন আইন করছেন, সমপ্রচার নীতিমালা, অভিশংসন আইন সংশোধন করছেন। আমি বলবো এগুলো বাদ দেন। কারণ এগুলো বৈধ হবে না। আপনারা গণবিচ্ছিন্ন বলে এগুলো করছেন, কারণ জনগণ আপনাদের সঙ্গে নাই। সম্প্রচার নীতিমালা করে বিরোধীদলের মুখ বন্ধ করা যাবে না।
দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে
সরকার লুটপাট চালিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে এমন অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, সরকার লুটপাট করে ব্যাংকগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে। দুর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাদের মন্ত্রীরাও ব্যর্থতা স্বীকার করছেন।
এ সময় তিনি বর্তমান সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কী পরিমাণ অর্থ লুট করেছে তার ও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করে বলেন, সরকার ডেসটিনি গ্রুপের ৩৮ হাজার কোটি টাকা, হলমার্ক গ্রুপের তিন হাজার ৫০০ কোটি, বিসমিল্লাহ গ্রুপের ১২শ কোটি, বেসিক ব্যাংকের চার হাজার ৫০০ কোটি, রুপালি ব্যাংকের ১২’শ কোটি, কৃষি ব্যাংকের ৬’শ, জনতা ব্যাংকের ৬’শ কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এছাড়া শেয়ার বাজার থেকেও হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি জনগন মানবেনা
বিদ্যুত ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে সরকারি উদ্যোগের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, তারা জনগণকে ধোকা দিয়ে কুইক রেন্টালের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এতো এতো বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলে, কিন্তু বিদ্যুৎ গেল কই? ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, জামালপুরের মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, নীলফামারীর মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, ঢাকায় কেবল লোডশেডিং। তাহলে কুইক রেন্টালের বিদ্যুৎ কই?
তিনি বলেন, শুনতে পাচ্ছি এখন নাকি আবারও গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়বে। এটা মানুষ কখনো মেনে নেবেনা। সবাই আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকুন
আন্দোলনের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, অনির্বাচিত এ সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো অধিকার নেই। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনে নামতে হবে। আপনারা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রস্তুত থাকবেন। সময় হলে আন্দোলনে ডাক দেবো। আপনার পূর্বের মতো রাজপথে নেমে আসবেন। আমরা দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো। শান্তি প্রতিষ্ঠা করবো। হাসিনাকে বিদায় করা হবে।
নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুল আরেফিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. (অব.) মাহাবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, মির্জা আব্বাস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক তৈমুর আলম খন্দকার, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা। এছাড়া ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রেদওয়ান উল্লাহ শাহেদী, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, জাতীয় পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুল মবিন, এনপিপির চেয়ারম্যান ডা. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই নীলফামারী ও আশপাশের জেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খ- খ- মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। দুপুর গড়াতেই জনসভার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। একপর্যায়ে জনসমাগম জনসভা ময়দান ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে খালেদা জিয়া বুধবার বিকালে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে বগুড়া সার্কিট হাউজে রাত্রি যাপন করেন।
বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া সার্কিট হাউজে বক্তব্য দিয়ে নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা হন। বিকাল সোয়া তিনটায় জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হন তিনি।
সরকার মিথ্যার ওপর ভর করে টিকে আছে
যারা সংসদে আছেন তারা জনপ্রতিনিধি নয় এমন মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, এ সরকার মিথ্যার ওপর ভর করে টিকে আছে। ৫ জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয়নি। ভোট কেন্দ্রে কোন মানুষ যায়নি। সংসদে যারা আছেন তাদের জনগণ ভোট দেয়নি। ১৫৬টি আসনে কোন ভোট হয়নি।
আ’লীগের অধীনে কোন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়না মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ২০০৮ সালের পর যতগুলো উপনির্বাচন হয়েছে কোনটিই সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামী লীগ উপজেলা নির্বাচনেও ভোট ডাকাতি করেছে। তারা কোনো ভোট হতে দেয়নি। একতরফাভাবে তাদের প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেছে। এজন্য দরকার নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার।
নির্বাচন কমিশনের বাতিল দাবি
বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ অথর্ব আখ্যা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এ কমিশনের অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এ কমিশনকে অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এরা দায়িত্বে থাকলে মানুষের ভোটের অধিকার থাকবে না।
বিদেশীরা বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি
বিদেশী রাষ্ট্রের প্রধানদের সঙ্গে শুধু ছবি তুললেই স্বীকৃতি পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, গণতন্ত্র না থাকলে কেউ স্বীকৃতি দেবে না। বাংলাদেশে গণতন্ত্র না থাকায় এই অবৈধ সরকারকে বিদেশীরাও স্বীকৃতি দেয়নি।
র্যাব বাতিল করতে হবে
সামপ্রতিক সময়ে র্যাবের গুম, খুন ও অপহরণের সমোলোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আমরা র্যাব গঠন করেছিলাম আওয়ামী লীগের আমলের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের জন্য। রাজনীতিবিদদের ধরার জন্য নয়। কিন্তু এখন র্যাব মানুষ খুন-গুম করছে। পথে-ঘাটে, খাল-বিল ও নদী-নালায় লাশ পাওয়া যাচ্ছে। সেজন্যই আমরা বলেছি, এই র্যাব বাতিল করতে হবে। র্যাব দিয়ে মানুষ খুন-গুম চলবে না। পুলিশের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোন বিরোধ নেই। আপনাদের দায়িত্ব মানুষের সেবা করা। কিন্তু এই অবৈধ সরকারের সঙ্গে মিলে মানুষ গুম-খুন করবেন না। এগুলো বন্ধ করেন। কারণ আপনাদেরও মা-বোন আছে। অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নতুন নতুন আইন করছে সরকার
সরকার নিজিেদের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নতুন নতুন আইন করছে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, আপনারা নতুন নতুন আইন করছেন, সমপ্রচার নীতিমালা, অভিশংসন আইন সংশোধন করছেন। আমি বলবো এগুলো বাদ দেন। কারণ এগুলো বৈধ হবে না। আপনারা গণবিচ্ছিন্ন বলে এগুলো করছেন, কারণ জনগণ আপনাদের সঙ্গে নাই। সম্প্রচার নীতিমালা করে বিরোধীদলের মুখ বন্ধ করা যাবে না।
দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে
সরকার লুটপাট চালিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে এমন অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, সরকার লুটপাট করে ব্যাংকগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে। দুর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাদের মন্ত্রীরাও ব্যর্থতা স্বীকার করছেন।
এ সময় তিনি বর্তমান সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কী পরিমাণ অর্থ লুট করেছে তার ও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করে বলেন, সরকার ডেসটিনি গ্রুপের ৩৮ হাজার কোটি টাকা, হলমার্ক গ্রুপের তিন হাজার ৫০০ কোটি, বিসমিল্লাহ গ্রুপের ১২শ কোটি, বেসিক ব্যাংকের চার হাজার ৫০০ কোটি, রুপালি ব্যাংকের ১২’শ কোটি, কৃষি ব্যাংকের ৬’শ, জনতা ব্যাংকের ৬’শ কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এছাড়া শেয়ার বাজার থেকেও হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি জনগন মানবেনা
বিদ্যুত ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধিতে সরকারি উদ্যোগের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, তারা জনগণকে ধোকা দিয়ে কুইক রেন্টালের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এতো এতো বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলে, কিন্তু বিদ্যুৎ গেল কই? ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, জামালপুরের মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, নীলফামারীর মানুষ বিদ্যুৎ পায় না, ঢাকায় কেবল লোডশেডিং। তাহলে কুইক রেন্টালের বিদ্যুৎ কই?
তিনি বলেন, শুনতে পাচ্ছি এখন নাকি আবারও গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়বে। এটা মানুষ কখনো মেনে নেবেনা। সবাই আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকুন
আন্দোলনের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, অনির্বাচিত এ সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো অধিকার নেই। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনে নামতে হবে। আপনারা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রস্তুত থাকবেন। সময় হলে আন্দোলনে ডাক দেবো। আপনার পূর্বের মতো রাজপথে নেমে আসবেন। আমরা দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো। শান্তি প্রতিষ্ঠা করবো। হাসিনাকে বিদায় করা হবে।
নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুল আরেফিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. (অব.) মাহাবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, মির্জা আব্বাস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক তৈমুর আলম খন্দকার, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা। এছাড়া ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রেদওয়ান উল্লাহ শাহেদী, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, জাতীয় পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুল মবিন, এনপিপির চেয়ারম্যান ডা. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই নীলফামারী ও আশপাশের জেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খ- খ- মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। দুপুর গড়াতেই জনসভার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। একপর্যায়ে জনসমাগম জনসভা ময়দান ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে খালেদা জিয়া বুধবার বিকালে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে বগুড়া সার্কিট হাউজে রাত্রি যাপন করেন।
বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া সার্কিট হাউজে বক্তব্য দিয়ে নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা হন। বিকাল সোয়া তিনটায় জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হন তিনি।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন