বাহার উদ্দিন বকুল,সৌদি
আরব : চলতি বছরে অনেক বাংলাদেশী
উমরাহ হজ্জে আসতে পারেনি, তবে হজ্জের পরপরই উমরাহ ভিসা চালুর আশ্বাস দিয়েছেন সৌদি কতৃপক্ষ। পররাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম এমপি জেদ্দায় বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকীর শোকসভায়
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। সৌদি আরবের সাথে ফলপ্রসু দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হচ্ছে
জানিয়ে তিনি আরো বলেন, দূতাবাস এবং কনস্যুলেটের জন্যে
নিজস্ব ভবন নির্মান পরিকল্পনাসহ বাংলাদেশী ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত স্কুল সমূহের জন্যে
সৌদি সরকারের কাছ থেকে জমি সংগ্রহের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। গত কাল সোমবার রাতে জেদ্দার স্থানীয়
একটি হোটেলে জেদ্দা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম মজুমদার
এর সভাপতিত্বে আয়োজিত শোকসভায় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর
পলাতক খুনীদের অবস্থান চিহ্ণিত হয়েছে এবং সরকারের চলতি মেয়াদে অন্ততঃ একাধিক খুনিকে
ফাঁসিতে ঝুলানো সম্ভব হবে। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির
প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে একটি স্বাধীন দেশ আর একটি
পতাকাই দিয়ে যান নি, সমুদ্র আইন পাশ এবং মুজিব ইন্দিরা
চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করে
গেছেন। এরই ফলে আজ মায়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্র সীমা জয় হয়েছে, ছিটমহল চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানচিত্র পূর্ণতা পেয়েছে। তিনি
আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হারানোর গভীর শোককে শক্তিতে
রূপান্তরিত করে তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে বর্তমান সরকার।
দেলোয়ার হোসেন সরকারের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিগণের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশ
রাষ্টদূত গোলাম মসীহ, কনসাল জেনারেল এ.কে.এম শহিদুল করিম, কাউন্সিলর
মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, কনসাল আজিজুর রহমান, মুক্তার হোসেন, মাহমুদুল হাসান শামীম, কাজী নেয়ামুল বশির, আবুল বাশার বুলবুল,কাজী
নওফেল, ফজলুল কবীর ভিকু, মোঃ হুমায়ূন কবীর, সারতাজুল আলম দিপু, খন্দকার আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। আলোচকগণ সর্বকালের শেষ্ট্র বাংঙালী জাতির
জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে তাঁর প্রতি, তাঁর পরিবারের সদস্যগণ সহ জাতীয় চার নেতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শেষ পর্বে বঙ্গবন্ধু সহ সকলের রুহের
মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আলী তাওয়াজ খান লোদী। শোকসভায়
বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের রিপোর্টারগণ ছাড়াও রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং
বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন