রনি মোহাম্মদ,(লিসবন,পর্তুগাল): একুশ মানে মাথা নত না করা..ভাষা
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার মাস ফেব্রুয়ারি। ২১ ফেব্রুয়ারী এখন শুধু বাঙালীর
“শহীদ দিবস” নয়, “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”। বাঙালীর দাবীর প্রতি শ্রদ্ধা
জানিয়ে জাতিসংঘ ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১
ফেব্রুয়ারীকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে। অথচ আজ থেকে
৬৪ বছর আগে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা যে ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে, আজ আমরা সেই ভাষাকেই
পদদলিত করছি। যেমনটি প্রবাসে বেড়ে উঠা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা
বাংলা শেখায়
আগ্রহী হন না। তাই পর্তুগালের বসবাসরত নতুন প্রজন্মের বাঙালির কাছে বাংলা
ভাষা ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস ব্যাপকভাবে উদযাপন
উপলক্ষে পর্তুগালের পর্তু স্থানীয় তাজ মহল রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পর্তু,
পর্তুগালের এক প্রস্তুতি সভা
অনুষ্ঠিত হয়৷ সংগঠনের সভাপতি জনাব শাহ আলম কাজল এর সভাপতিত্বে
এবং জনাব মামুন হাজারীর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন পর্তুর বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব
জনাব মোশারফ হোসেন কিরন, জনাব নাইম হোসেন জামসেদ, জনাব আব্দুল আলিম, জনাব কাজল আহমেদ,
জনাব
ফারুক হোসেন, জনাব নাজির হোসেন, জনাব শরীফুজ্জামান খোকন, জনাব তাজুল ইসলাম, জনাব
মনির হোসেন, জনাব মহব্বত হোসেন টিপু সহ অন্যান্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ৷ উক্ত প্রস্তুতি
অনুষ্ঠিত সভায় ২১ শে ফেব্রুয়ারী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন
করা হয়৷ তার পরিপেক্ষিতে ২১ ফেব্রুয়ারীকে “আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবসের'' দিন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পর্তুর আয়োজনে এক আলোচনার সভা ও সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্বান্ত নেয়া হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পর্তুগাল
সরকারের পররাষ্ট্র সচিব জনাব ডঃ জোসে লুইস কারেইরো, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত থাকবেন
বাংলাদেশ সরকারের পর্তুগালের রাষ্ট্রদূত জনাব ইমতিয়াজ আহমেদ, উপস্হিত থাকবেন জনাব ডঃ
রুই মোরেইরা প্রেসেডেন্ট কামারা দা মিউঃ পর্তু, জনাব তিয়াগো বারবোজা রিবেইরো সংসদ সদস্য
পর্তুগাল, জনাব ভিরগেলিও মাসেদা সংসদ সদস্য পর্তুগাল, বাংলাদেশ দুতাবাসের প্রথম সচিব
মোহাম্মেদ খালেদ, ডঃ ক্রিস্টিনা গতেস হেড অব সেফ নর্থ সহ পর্তুগালের কমিউনিটি, রাজনৈতিক,
সামাজিক, আঞ্চলিক সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন