
জনপ্রিয় ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে যারা কথা বলেন দুটি
আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক সংস্থার নির্বাচনে বাংলাদেশের সংসদের দুজন নির্বাচিত
হওয়ায় তার জবাব দেয়া হয়েছে। এরপরেও যারা কথা বলছেন আমি মনে করি তারা অর্বাচীন।
গণতন্ত্র সম্পর্কে তাদের ধারণা নেই।রবিবার বিকালে জাতীয় সংসদের চতুর্থ
অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর ওপর
ধন্যবাদ প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।এ সময় তিনি দু’জন বিজয়ীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ আজ গণতান্ত্রিক
বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে। সোয়া ৪ ঘণ্টাব্যাপী এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ৩৫
জন সংসদ সদস্য।
শেখ হাসিনা বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বানচালের
জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা
হয়েছিল। এ ষড়যন্ত্র যে শুধু দেশেই ছিল তা নয়। এ চক্রান্তের মধ্যেই নির্বাচন করেছি।
জনগণ আমাদের সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করেছিল বলেই আজ আমরা এ দুটি পদে বিজয়ী হতে পেরেছি। বিএনপি চেয়ারপারসনের ঢাল-তলোয়ার নিয়ে মাঠে নামের হুমকির বিষয়
ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ঢাল-তলোয়ার নিয়ে নামুক আর যা
খুশি তাই নিয়ে নামুক না কেন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে কেউ থামাতে পারবে না। এ দেশ
এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুধু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই করেনি। গণতান্ত্রিক বিশ্বের
নেতৃত্ব দিচ্ছে। এ ধারা আমরা অব্যাহত রাখব। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং
২০৪১ সালের উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। এ সময় শেখ হাসিনা স্পিকারের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশের উপর বিরাট এক দায়িত্ব পরেছে বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রকে
এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আজ বিশ্ব গণতন্ত্রের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশের দুজন সংসদ
সদস্য। স্পিকার আপনার ওপর বিরাট দায়িত্ব পড়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে যা
সহযোগিতা করার আমরা তা করব।তিনি বলেন, যে সংস্থা থেকে তিন তিন বার যে
দেশ সদস্য পদ হারায়, সেই দেশই আজ নেতৃত্ব দিচ্ছে।
জাতির পিতার নেতৃত্বে আমরা বিজয়ী হয়েছিলাম। আমরা বিজয়ী জাতি। আমাদের আত্মবিশ্বাস
থাকতে হবে। আত্মবিশ্বাস না থাকলে কেউ এগিয়ে যেতে পারে না। আমাদের সেই আত্মবিশ্বাস
আছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে দেশ এগোতো না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমরা এগিয়ে
যেতে পারবো। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচ
সিরিজের টেস্টে হোয়াইট ওয়াশ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন
করেন তারা ক্ষমতায় এসে বলেছিল, আমি না কি তদবির করে বাংলাদেশের
টেস্ট খেলার সুযোগ করে দিয়েছি। বাংলাদেশের নাকি কোনো যোগ্যতাই নেই। আজ বাংলার
টাইগাররা দেখিয়ে দিয়েছে তারা ইচ্ছা করলেই পারে।তিনি বলেন, এক সিরিজে ৫টি সেঞ্চুরি। এটাই প্রমাণ করে বাংলাদেশের ছেলেরা
ইচ্ছা থাকলেই পারে। এ সময় সাকিব আল হাসান, মুমিনুল হক ও তামিম ইকবালকে
অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন